রত্নাকর শ্রীরামকৃষ্ণ

By:

Format

হার্ডকভার

Country

ভারত

585

বইটি বর্তমানে আমাদের সংগ্রহে নেই। আপনি বইটি প্রি-অর্ডার করলে প্রকাশনায় মুদ্রিত থাকা সাপেক্ষে ৪-৮ সপ্তাহের মধ্যে ডেলিভারি করা হবে।
বই এর প্রথম ফ্লাপ

পৃথিবীতে এমন একটি ধর্মাশ্রিত দেশ পাওয়া যাবে না। ধর্মই এদেশের ভূমি। হিন্দু ধর্ম হল অনুভূতির ধর্ম। যার শুরুতেই আত্মজিজ্ঞাসা। নিতান্ত সাধারণ মানুষের মনেও অস্তিত্বের কোনো না কোনো সময় প্রশ্ন উঁকি মারে কে আমি, কেন আমি? এই আসার কি কারণ? যাবই বা কোথায়, পট, ঘট উল্টে। অনেক চেষ্টা করেও ভারতীয়দের দার্শনিক মনের পরিবর্তন সাধন করা গেল না। দীর্ঘ দাসত্ব, দারিদ্র্য, অনাচার অবিচার, অত্যাচার, ভোগবাদী দুনিয়ার বিরামহীন প্রলোভন হার মেনেছে। ঈশ্বরের কাছে অর্থ-বিত্তের প্রার্থনা জীবনের ধর্ম, প্রাণের ধর্ম। অন্তরের ধর্ম সত্যের অন্বেষণ। বিজ্ঞান প্রকৃতির ওপর প্রভুত্ব চায়, মহাবিজ্ঞানী প্রকৃতিকে জানতে চায়। ‘মা’ বলে । মা কালী, আদ্যাশক্তি, মহাময়ী। একজন বিজ্ঞানীর সঙ্গে একজন সাধকের এই তফাৎ। অহংকারের সামান্য হেরফের। সাধকের সংগ্রাম নিজের সঙ্গে। সে জানে দরজির ফিতে দিয়ে অনন্তকে মাপা যায় না। আর তখনই সে অজানার কাছে জানার চেষ্টাটা সমৰ্পণ করে দেয়। পুঁথিপাটা গুটিয়ে ফেলে। তখন সে সাধতে থাকে। হয়ে যায় সাধক। চলতে থাকে সাধনা, যার প্রধান অঙ্গ প্রার্থনা— হিরন্ময়েন পাত্রেণ সত্যস্যাপিহিতং মুখম্। তত্ত্বং পুষপাবৃণু সত্যধর্মায় দৃষ্টয়ে।।
আপনি কৃপা করে আমাকে জানান। আমি প্রস্তুত। আমার আধার আধেয়কে ধারণ করার জন্যে নিয়ত তপস্যারত। দেহবাসনা রহিত, সংযত ইন্দ্ৰিয়।
যুগ প্রয়োজনে বারে বারে তাঁরা এসেছেন। কল-কারখানা, ফ্লাইওভার, ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্যে নয়। এসেছেন ক্ষিপ্ত মানুষকে সংযত করার জন্যে। তবুও যুদ্ধ, ধ্বংস, হানাহানি, কাটাকাটি। যীশুকে ক্রুশে ঝোলান হল ৷ প্রকাশিত হল যন্ত্রণাবিদ্ধ পৃথিবীর, পার্থিব জীবনের প্রতীক। পৃথিবীর মানুষকে প্রেম আর ক্ষমার ‘শান্তি-পথ’ দেখাতে এসেছিলেন। গৌতমবুদ্ধ এনেছিলেন করুণা, অহিংসা, মহাপ্রভু এনেছিলেন বিপ্লব।
অবশেষে এলেন তিনি। নীরবে নিভৃতে। অনগ্রসর পল্লী বাঙলার সহিষ্ণু দরিদ্র মাতার কোলে। বিশেষ কোনো ঘোষণা নেই। সাজ নেই।

Writer

Publisher

Genre

Pages

378

Published

4th Printed, 2017

Language

বাংলা

Country

ভারত

Format

হার্ডকভার